নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাড়ির পাশে সড়কে ধান শুকাতে দিয়েছিলেন এক গৃহবধূ। এতে মানুষের হাঁটাচলায় কষ্ট হচ্ছে—এ অভিযোগ তুলে প্রথমে ওই এলাকার একজনের সঙ্গে তাঁর তর্কাতর্কি হয়। পরে এ তর্কাতর্কিতে দুই পক্ষে অবস্থান নেন দুই ভাই। একপর্যায়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে মারামারি বাঁধে। পরে এক ভাইয়ের কিরিচের কোপে আরেক ভাইয়ের ছেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
মঙ্গলবার (১২ মে) সাধনপুর ইউনিয়নের বৈলগাঁও মাধবীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ হাসান (৩২)। তিনি একই এলাকার বশির আহমদের (৫৫) ছেলে। বুধবার (১৩ মে) সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। অভিযুক্ত চাচার নাম নাছির উদ্দিন (৫৯)। মঙ্গলবার তাঁর সঙ্গে ভাই বশির আহমদের কথা-কাটাকাটি থেকে এ মারামারির সূত্রপাত হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বশির আহমদ ও তাঁর ভাই নাছির উদ্দিনের মধ্যে বসতবাড়ির জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে একাধিক সালিসি বৈঠক ও মামলাও হয়েছে। তবে এখনো এর কোনো সমাধান হয়নি। সর্বশেষ অন্য দুই ব্যক্তির তর্কাতর্কিতে নিজেরা জড়িয়ে পড়ে মারামারি থেকে খুনের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই দুই পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছেন।
জানতে চাইলে সাধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান কে এম সালাহউদ্দিন কামাল বলেন, “ঘটনার পর সকালে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। ওই সময় কোনো ঘরে কেউ ছিল না। পারিবারিক দ্বন্দ্ব থেকেই এ ঘটনা ঘটেছে।”
বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক বলেন, “রাস্তায় ধান শুকানো নিয়ে প্রতিবেশীদের তর্কাতর্কিতে গিয়ে দুই ভাই ও তাঁদের পরিবারের লোকজন জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে মারামারি হলে একজনের মৃত্যু হয়। আমরা লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করছি।”