শাহদাৎ হোছাইন শাহেদ:
বর্তমান সময়ে আমরা দেখছি—মানুষ ব্যস্ত নিজের স্বার্থের পিছনে ছুটতে। অন্যের কথা ভাবার সময় আমাদের অনেকেরই নেই; থাকলেও বেশিরভাগ সময় আমরা তা এড়িয়ে যাই। “যে মরুক, মরুক—আমার ক্ষতি না হলেই হলো”—এই দর্শনেই অনেকেই জীবন চালিয়ে যাচ্ছেন।
কিন্তু সেই বাস্তবতার মাঝেও শামীম উল্লাহ আদিল নামের এক মানুষ ব্যতিক্রম। তিনি বহু বছর ধরে গরিব, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছেন নিঃস্বার্থভাবে। রোগীর রক্তের প্রয়োজন হলে তিনি নিজেই ছুটে যান; রক্ত না পাওয়া পর্যন্ত তিনি চেষ্টা চালিয়ে যান অবিরাম। রক্তদান যে সহজ, মানবিক ও প্রয়োজনীয়—তিনি তরুণ সমাজের কাছে তা খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন।
আজ বাঁশখালীর অধিকাংশ তরুণ রক্তদানকে গৌরব মনে করেন—এ ইতিবাচক পরিবর্তনের নেপথ্যে আদিল ভাইয়ের দীর্ঘদিনের শ্রম ও সচেতনতা সৃষ্টি কাজ অনস্বীকার্য।
আমাদের বাঁশখালীতে সমাজকর্মীর নাম নিতে গেলে প্রথম সারির একজনের নামই হলো শামীম উল্লাহ আদিল। তিনি শুধু সমাজকর্মী নন—একজন সংগঠক, একজন নির্ভীক কণ্ঠস্বর। তাকে দেখেছি অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে কথা বলতে, সত্যের পক্ষে দাঁড়াতে এবং অসহায় মানুষের জীবনযুদ্ধে হাত বাড়িয়ে দিতে। নিজের জীবনকে মানুষের সেবায় উৎসর্গ করেছেন এই মানুষটি।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এনসিপির মনোনয়ন প্রত্যাশী—চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে। একজন সমাজকর্মী হিসেবে আমি তার পক্ষেই রায় দিলাম। আমাদের তারুণ্যের প্রতীক শাপলা কলির পক্ষে রায় দিলাম।
আমরা এমন একজন তরুণকে চাই—যিনি সৎ, যোগ্য, নৈতিক এবং ইতিবাচক বাঁশখালী বিনির্মাণে সক্ষম। আপনার মূল্যবান ভোটটি হোক একজন যোগ্য তরুণের পক্ষে—এই কামনা করি।
এনসিপির জয় হোক, শাপলা কলির জয় হোক।
শামীম উল্লাহ আদিল ভাইয়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন।