বেড়িবাঁধ সংস্কার না করে মাইকিং করা লজ্জাজনক

  • ১৪ নভেম্বর ২০২৫
বেড়িবাঁধ সংস্কার না করে মাইকিং করা লজ্জাজনক ছনুয়া ইউনিয়নের ছেলবন এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ মেরামতের চেষ্টা এলাকাবাসীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

বাঁশখালীতে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ আতংক বাড়ছে। গতকাল থেকে প্রতিটি ইউনিয়নে করা মাইকিং করে জনসাধারণকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংস্থার স্বেচ্ছাসেবকরা ঘূর্ণিঝড়ের আগাম মাইকিংসহ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। জনসচেতনতায় এখনো পর্যন্ত মাইকিং অব্যাহত রয়েছে।

বাঁশখালীর উপকূলীয় এলাকা পরিদর্শনে দেখা যায়, সকাল থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক। বাতাস ও বৃষ্টি নেই। তবে বিকেলে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি লক্ষ করা গেছে। উপকূলের জনসাধারণের মধ্যে কিছু অংশ বাঁশখালীর পাহাড়ি এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার জন্য চলে গেছেন। আবার অনেকে বাড়ির পাশের আশ্রয়কেন্দ্রে যাচ্ছেন।

এদিকে উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের বেড়িবাঁধ খুবই ঝুকিপূর্ণ। স্থানীয়রা বলছেন, বেড়িবাঁধ মেরামত না করে মাইকিং করা খুবই লজ্জাজনক।

ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপকূলীয় এলাকার আশ্রয়কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। আজ দুপুরে মোখার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে বাঁশখালীর উপকূলীয় এলাকা পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাশার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান, জেলা পুলিশ সুপার এস. এম শফিউল্লাহ বিপিএম।

এসময় বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদুজ্জামান চৌধুরী, বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামাল উদ্দিন, খানখানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসীম উদ্দিন হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

বাঁশখালী উপজেলা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি অফিসের রেডিও অপারেটর মিঠু কুমার দাশ জানান, ‘উপজেলার পুকুরিয়া, খানখানাবাদ, বাহারছড়া, কাথরিয়া, সরল, শীলকূপ, গণ্ডামারা, শেখেরখীল, পুঁইছড়ি, ছনুয়া ইউনিয়নকে উপকূলীয় অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই ১০ ইউনিয়নে ৭১ ইউনিটে ১৪২০ স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে। সিপিপির স্বেচ্ছাসেবক যে কোনো আহূত পরিস্থিতির ঝুঁকি এড়াতে প্রস্তুত রয়েছেন।

খানখানাবাদ ইউনিয়নের কদমরসুল এলাকার বাসিন্দা দিদারুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের এলাকার বেড়িবাঁধ খুবই ঝুকিপূর্ণ। বেড়িবাঁধ সংস্কার না করে নির্লজ্জের মতো মাইকিং করে জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে জনপ্রতিনিধিরা।’

খানখানাবাদের কদমরসুল এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ

ঘূর্ণিঝড়ের আগাম প্রস্তুতি হিসাবে বাঁশখালীতে ১১০টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৮৫ হাজার মানুষকে আশ্রয় দেওয়ার মতো উপযুক্ত পরিবেশ রয়েছে বলে উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়।

102 জন পড়েছেন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে বাঁশখালীতে উৎপাদিত চা পাতা