ফেসবুকে কমেন্ট করার জের
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাঁশখালী টুডে: বাঁশখালীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কমেন্ট করাকে কেন্দ্র করে মো. মোবারক (২৩) নামের এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক আ. লীগ নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আ. লীগ নেতা জাকের উল্লাহ ছনুয়া ইউনিয়ন আ. লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক। ভুক্তভোগী মোবারক ছনুয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে ছনুয়া মনুমিয়াজী বাজারে এ ঘটনা ঘটেছে। আহত মোবারক বাঁশখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং বাঁশখালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্ত জাকের উল্লাহ ছনুয়া ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের কাতেবপাড়ার মৃত আবদুল কাদেরের ছেলে এবং ভুক্তভোগী মোহাম্মদ মোবারক ৫নম্বর ওয়ার্ডের শিব্বির আহমদের ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে মনুমিয়াজী বাজারে ফার্নিচার দোকানে কাজ করেছিলেন মোবারক। এসময় আ. লীগ নেতা জাকের উল্লাহ তার দোকানের সামনে এসে বলে, ‘আমার বিরুদ্ধে কেন কমেন্ট করেছিস?’ পরে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে মোবারককে মারধর করেন জাকের উল্লাহ। এলোপাতাড়ি মারধরে ওই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা কানে ও বুকে-পিঠে মারাত্মকভাবে জখমপ্রাপ্ত হয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মোহাম্মদ মোবারক বলেন, ‘ছনুয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি কফিল উদ্দিনের একটি পোস্টে আমি জাকের উল্লাহর ছবিযুক্ত মন্তব্য করি। সাবেক এমপি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী ও ছনুয়া ইউনিয়ন আ. লীগের সাবেক সভাপতি জিল্লুল করিম শরীফির সাথে থাকা তার বিভিন্ন ছবি কমেন্টে যুক্ত করি। এই বিষয়কে কেন্দ্র করে আজ সকালে এসে আমাকে মারধর করেছে।’
মোবারক বলেন, ‘ছনুয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব রেজাউল হক চৌধুরীর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ৫ আগস্টের পর জাকের উল্লাহ বিএনপির রাজনীতি শুরু করে। সে উপকূলীয় বেড়িবাঁধে চলমান প্রকল্পে বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তার করে।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জাকের উল্লাহকে একাধিকবার কল করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক বলেন, ‘এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’