গত ৬ জুন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত “নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকে অর্থদাতা ১৫ ব্যবসায়ী নজরদারিতে” শীর্ষক সংবাদে স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বাঁশখালীর সাবেক এমপি মুজিবুর রহমান সিআইপির নাম উল্লেখ করে তাকে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের অর্থদাতা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সংবাদে প্রকাশিত এ তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তার ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা।
মুজিবুর রহমান স্পষ্টভাবে জানাচ্ছেন যে, অতীতে কিংবা বর্তমানে আওয়ামী লীগ বা এর কোনো অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে তার কোনো ধরনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, যোগাযোগ কিংবা আর্থিক লেনদেন ছিল না এবং এখনও নেই। তিনি একজন ব্যবসায়ী হিসেবে তার ব্যবসায়িক কার্যক্রম নিয়েই ব্যস্ত রয়েছেন।
সংবাদে উত্থাপিত অভিযোগের পক্ষে কোনো তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। বরং যাচাই-বাছাই ছাড়াই তার নাম প্রকাশ করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে। এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ সাংবাদিকতার নীতিমালা ও পেশাগত দায়িত্ববোধের পরিপন্থী।
মুজিবুর রহমান আরও বলেন, “যদি কেউ প্রমাণ করতে পারেন যে আওয়ামী লীগের কোনো নেতা-কর্মীর সঙ্গে আমার যোগাযোগ বা আর্থিক সম্পর্ক রয়েছে, তাহলে আমি তাকে পুরস্কৃত করবো। শুধু এখন নয়, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালেও তাদের কারও সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ ছিল না। দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও এ বিষয়ে অবগত যে আমি কোনো রাজনৈতিক সংগঠনকে অর্থায়ন করি না এবং তাদের সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ নেই।”
অতএব, সংশ্লিষ্ট সংবাদে প্রকাশিত বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্যের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি এবং পাঠকসমাজকে উক্ত সংবাদ দ্বারা বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। একইসঙ্গে সংবাদমাধ্যমটির কাছে যথাযথ তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সংশোধনী প্রকাশের দাবি জানানো হচ্ছে।
বিনীত,
মুজিবুর রহমান সিআইপি
পরিচালক,
স্মার্ট গ্রুপ।