নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাঁশখালীর বাহারছড়ায় মাদকসহ গ্রেপ্তার হওয়া ইমনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে এবার মুখ খুলেছেন স্থানীয় জামায়াত নেতা সাদুর রশীদ চৌধুরী।
সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যমূলকভাবে তার ছোট ভাইয়ের পরিচয়কে সামনে এনে তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
সাদুর রশীদ বলেন, গত ১০ মে রাতে ইলশা গ্রাম থেকে পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের মধ্যে মিনার চৌধুরী ওরফে ইমন তার ছোট ভাই হলেও, তিনি অপরাধকে সমর্থন করেন না। তিনি অভিযোগ করেন, ইমন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও রাজনৈতিক পরিচয় গোপন রেখে কেবল তাকে “জামায়াত নেতার ভাই” হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, “অপরাধের দায় ব্যক্তির নিজস্ব। ভাইয়ের অপরাধের দায় অন্য ভাইয়ের ওপর চাপানো ফ্যাসিবাদী আচরণের শামিল। অপরাধী যেই হোক, তার বিচার হওয়া উচিত আইনের মাধ্যমে।”
বিবৃতিতে সাদুর রশীদ জানান, বাঁশখালীকে মাদকমুক্ত করতে স্থানীয় সংসদ সদস্য মাওলানা জহিরুল ইসলামের ঘোষণার সঙ্গে তিনি একাত্মতা প্রকাশ করে আসছেন। তার ভাষ্য, “মাদক ব্যবসায়ীর কোনো দল নেই, অপরাধী কেবলই অপরাধী।”
তিনি দাবি করেন, চাইলে তিনি তার ভাইকে ছাড়িয়ে আনার চেষ্টা করতে পারতেন, কিন্তু একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে তা করেননি। বরং তিনি চান, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী অপরাধের বিচার হোক।
এ সময় তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কিছু অনলাইন পোর্টালে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে বলেন, “আমার জনপ্রিয়তা ও আদর্শিক অবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে একটি মহল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তবে এসব অপচেষ্টায় আমি সত্য ও ন্যায়ের পথ থেকে বিচ্যুত হব না।”
বিবৃতির শুরুতে তিনি পবিত্র কোরআনের সুরা ফাতিরের ১৮ নম্বর আয়াত উদ্ধৃত করেন।