☰

কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মাধ্যমে জমি বিক্রির বিজ্ঞাপন, প্রকৃত মালিকের সতর্কবার্তা

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মাধ্যমে জমি বিক্রির বিজ্ঞাপন, প্রকৃত মালিকের সতর্কবার্তা সালেহ নুর ছিদ্দিক
‘মালিকানা নিয়ে মামলা বিচারাধীন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে ক্রয়-বিক্রয় থেকে বিরত থাকুন’

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাঁশখালী টুডে>>
জমি-কারও কাছে স্বপ্নের ঠিকানা, কারও কাছে জীবনের সঞ্চয়। আবার সেই জমিই যখন মালিকানা বিরোধের জালে আটকে যায়, তখন একটি বিজ্ঞাপনও হয়ে উঠতে পারে বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ।

বাঁশখালী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাটির মসজিদ সংলগ্ন একটি সম্পত্তি নিয়ে এমনই এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আদালতে মালিকানা-সংক্রান্ত মামলা বিচারাধীন থাকার মধ্যেই ওই সম্পত্তি বিক্রির বিজ্ঞাপন প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে সম্পত্তির প্রকৃত মালিকানা দাবি করে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করেছেন সালেহ নুর ছিদ্দিক।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি সর্বসাধারণকে ওই সম্পত্তি কেনাবেচা, বায়না, হস্তান্তর, দখল গ্রহণ কিংবা যেকোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

আদালতে মামলা, তবু বিজ্ঞাপন!

সালেহ নুর ছিদ্দিকের দেওয়া সতর্কবার্তা অনুযায়ী, জলদী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাটির মসজিদ এলাকায় তাঁর প্রয়াত পিতা আবু বকর সিদ্দিকের নামে ক্রয়কৃত ও রেকর্ডীয় পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বাঁশখালী বিজ্ঞ আদালতে সি.আর.-৮৬৩/২০২৬ নম্বর মামলা চলমান রয়েছে।

তিনি দাবি করেছেন, আদালতে বিষয়টি বিচারাধীন থাকা অবস্থায়ও কিছু অসাধু পক্ষ ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ওই সম্পত্তি নিয়ে বিজ্ঞাপন বা প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, সাধারণ মানুষকে সম্ভাব্য প্রতারণা ও আইনি জটিলতা থেকে রক্ষা করতেই এই সতর্কীকরণ।

সালেহ নুর ছিদ্দিকের আহ্বান-বিজ্ঞ আদালতের চূড়ান্ত রায় বা সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত কেউ যেন কোনো প্রলোভনে পড়ে ওই সম্পত্তি ক্রয়, বায়না, হস্তান্তর, দখল গ্রহণ কিংবা আর্থিক লেনদেনে না জড়ান।

কনটেন্ট ক্রিয়েটর আবু ছিদ্দিকের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি ‘জাগো বাঁশখালী’ নামের একটি ফেসবুক পেজে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আবু ছিদ্দিকের মাধ্যমে ওই জমি ও বাড়ি নিয়ে ভিডিও বিজ্ঞাপন প্রচার করেন শফকত হোসাইন চাটগামী।

ভিডিওতে জমি ও বাড়ির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হলেও, জমিটির মালিকানা কিংবা বিজ্ঞাপনদাতার বিক্রির আইনগত অধিকার সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য দেওয়া হয়েছে কি না-তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

আর ঠিক এই জায়গাতেই সামনে এসেছে সালেহ নুর ছিদ্দিকের সতর্কবার্তা। একদিকে মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন। অন্যদিকে সেই সম্পত্তি নিয়ে বাজারে ঘুরছে বিক্রির বিজ্ঞাপন।

প্রশ্ন তাই একটাই- আদালতের রায় আসার আগেই কার অধিকার, কার বিজ্ঞাপন, আর কার কাছে বিক্রি?

উত্তর চাই নথিতে, সিদ্ধান্ত চাই আইনে

একটি জমির মালিকানা নিয়ে যখন আদালতে মামলা চলছে, তখন সেই জমি কেনাবেচার বিজ্ঞাপন সাধারণ মানুষের জন্য নিছক একটি বিজ্ঞাপন নয়-এটি হতে পারে বড় ধরনের আর্থিক ও আইনি ঝুঁকির কারণ।

439 জন পড়েছেন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে বাঁশখালীতে উৎপাদিত চা পাতা